News & Events

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে জেড. এইচ. সিকদার ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি-এ আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

 

স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি ও স্বাধীনতা সংগ্রামের মহানায়ক হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর ৪৩তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে জেড. এইচ. সিকদার ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি-এ আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. জান্নাতুল ফেরদৌস এর সভাপতিত্বে বুধবার সকাল দশটায় ইউনিভার্সিটির অডিটরিয়ামে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় আলোচক হিসেবে ছিলেন ইউনিভার্সিটির মানবিক ও সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের ডীন এবং আইন বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মো. এমরান পারভেজ খান, ইউনিভার্সিটির প্রক্টর ও ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক নুরুল করিম নাসিম, ইউনিভার্সিটির ইলেক্ট্রিক্যাল ও ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান মো. সোহেল রানা এবং ক্যাপ্টেন (অব.) এ. এম. মোস্তাফিজ মিঞা।

আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন ইউনিভার্সিটির বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

আলোচনা সভার শুরুতে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে আইন বিভাগের নবম ব্যাচের ছাত্র মো. নাজমুল ইসলাম বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি তার বক্তব্যে জাতীয় শোক দিবসে আলোচনা সভা আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদেরকে বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে জানার সুযোগ করে দেয়ায় শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

অতিথিদের মধ্যে ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান মো. সোহেল রানা তার বক্তব্যে শিক্ষার্থীদেরকে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী এবং কারাগারের রোজনামচা-বই দু’টো পড়ার আহ্বান জানান। ক্যাপ্টেন (অব.) এ. এম. মোস্তাফিজ মিঞা তাঁর পরিবারের সাথে বঙ্গবন্ধুর পরিবারের ঘনিষ্ঠতার কথা উল্লেখ করে আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত পলাতক খুনীদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার কার্যকর করার দাবি জানান।

প্রক্টর নুরুল করিম নাসিম বাঙালির জীবনে ১৫ই আগস্টের প্রভাব সম্পর্কে আলোচনায় বলেন, বঙ্গবন্ধুর অবদান সম্পর্কে আরও সুদূরপ্রসারী গবেষণার প্রয়োজন।

ইউনিভার্সিটির মানবিক ও সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের ডীন এবং আইন বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মো. এমরান পারভেজ খান আন্তর্জাতিক আইনের আলোকে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন। এখনও বঙ্গবন্ধুর যে ছয় জন খুনী বিদেশে পালিয়ে আছেন তাদেরকে ফিরিয়ে আনার জন্য বিদেশি রাষ্ট্রের সাথে বহিঃসমর্পণ চুক্তির প্রয়োজনীয়তার কথা তিনি উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানের সভাপতি ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, বঙ্গবন্ধুর খুনীরা দুর্বল এবং কাপুরুষ। নাহলে তারা ছোট্ট রাসেলের মতো নিষ্পাপ শিশুকে হত্যা করতে পারত না। তিনি বলেন বঙ্গবন্ধু আর বাংলাদেশ শব্দদু’টো ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে নরপিশাচরা মূলত বাংলাদেশকেই হত্যা করতে চেয়েছিল, মুছে দিতে চেয়েছিল রক্তে অর্জিত এই দেশটিকে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে। তিনি আরও বলেন একাত্তরের পরাজিত শক্তি বারবার এদেশে আমাদের জাতীয় মূল্যবোধ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার উপর আঘাত হানতে চেয়েছে, কিন্তু বরাবরই তারা পরাজিত হয়েছে। তিনি পরাজিত হানাদার পাকিস্তানী শক্তি ও তার দোসরদের শত ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে বিশ্বদরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। আলোচনা সভা শেষে দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন ইউনিভার্সিটির কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান।

আলোচনা সভা সঞ্চালনা করেন ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের প্রভাষক মো. সাইফুজ জামান।


List of Old News & Events


 

Joining Day of Our Honourable Vice Chancellor
অনুষ্ঠিত হলো জেড এইচ সাস্টের ইংরেজি বিভাগের ৮ম ব্যাচের অনার্স সমাপনী অনুষ্ঠান
ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের বিবিএ ৯ম ব্যচের শিক্ষা সমাপনী অনুষ্ঠান উদযাপিত
জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে জেড. এইচ. সিকদার ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি-এ আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল
জেড. এইচ. সিকদার ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি-এ যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় শোক দিবস পালিত