News & Events

জেড. এইচ. সিকদার ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি তে সেমিনার অনুষ্ঠিত

 

জেড. এইচ. সিকদার ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি এবং ইউনিভার্সিটি মালেশিয়া সাবাহ’র মধ্যে পারস্পারিক সহযোগিতা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর দুইটায় জেড এইচ সিকদার ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজির কনফারেন্স কক্ষে অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে ইউনিভার্সিটি মালেশিয়া সাবাহ’র মধ্যে যৌথ গবেষণাসহ বিভিন্ন কার্যক্রম বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত সেমিনারে আলোচনা করেছেন ইউনিভার্সিটি মালেশিয়া সাবাহ’র সিনিয়র লেকচারার ড. ইঞ্জিনিয়ার এস. এম. আনিসুজ্জামান। এ সময় ড. মো. এমরান হোসেন, মো. কাওসার হোসেন, মো. মনির হোসেন, মো. আব্দুল কাদের, সনেট কুমার সাহা, মো. মাসুদ রানা, এম আসাদুজ্জামান বিপ্লবসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষকমণ্ডলী উপস্থিত ছিলেন।

ড. মো. এমরান হোসেন শুভেচ্ছা বক্তব্যে আলোচক এবং ইউনিভার্সিটি মালেশিয়া সাবাহ সম্পর্কে আলোচনার পাশাপাশি ড. আনিসুজ্জামানের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

ড. এস. এম. আনিসুজ্জামান বলেন, “জেড. এইচ. সিকদার ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজিকে ইউনিভার্সিটি মালেশিয়া সাবাহ শুধু একাডেমিক সেক্টরে নয়, বরং গবেষণা খাতেও দারুণভাবে সহযোগিতা করতে পারে।”
তিনি উল্লেখ করেন, “আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা ও প্রকাশনার প্রতি বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকে।” এ সময় তিনি মালেশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বার্ষিক প্রকাশনার কথা উল্লেখ করে বলেন, “মালেশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রভাষকদের বছরে ন্যূনতম একটি ও সহযোগি অধ্যাপকদের স্বীকৃত জার্নালে দুইটি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশ করতে হয়। আর অধ্যাপকদের ফান্ডিংসহ ন্যূনতম তিনটি প্রবন্ধ প্রকাশ করতে হয়।”
তার আলোচনায় বলেন, “সিকদার ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজির শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকমণ্ডলী গবেষণা ও প্রবন্ধ প্রকাশসহ উচ্চতর পড়াশোনার সুযোগ পাবে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে।”

জেড. এইচ. সিকদার ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি এবং ইউনিভার্সিটি মালেশিয়া সাবাহ’র মধ্যে স্টুডেন্ট মবিলিটি প্রোগ্রাম, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেইনিং এটাচমেন্ট এবং পোস্টগ্র্যাজুয়েট, রিসার্স গ্রান্ট ও পাবলিকেশনের জন্য আরএন্ডডি জয়েন্ট কোলাবোরেশন এর ব্যাপারে বিস্তারিত কথা বলেন।

আলোচনার শেষে অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকমন্ডলীকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান করেন। এ সময় দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের নান্দনিক সৌন্দর্যের তুলনা করে বলেন, “দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসই প্রাকৃতিক পরিবেশে নান্দনিকভাবে নির্মিত। ফটোসেশনের মাধ্যমে সেমিনারের সমাপ্তি হয়।