News & Events

জেড. এইচ. সিকদার ইউনিভার্সিটিতে ৭ই মার্চের ভাষণ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

আজ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ ভাষণ উপলক্ষে জেড এইচ সিকদার ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজির মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডীন ডঃ ইমরান পারভেজ খানের নেতৃত্বে ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান মোঃ কাওসার আহমেদ, আইন বিভাগের চেয়ারম্যান মোঃ মনির হোসেন, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান এম আসাদুজ্জামানসহ অন্যান্য বিভাগের প্রধানগণ, শিক্ষক-শিক্ষিকামণ্ডলী এবং শিক্ষার্থীবৃন্দ বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ করে। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৪ নম্বর কক্ষে অনুষ্ঠেয় এক আলোচনা-সভায় উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায় প্রসাশন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মোঃ মাসুদ রানা, আইন বিভাগের প্রভাষক মোঃ ইমামুনুর রহমান, মোঃ সাইফুজ জামান এবং রোজিনা আক্তার, ব্যবসায় প্রসাশন বিভাগের ফারজানা আক্তার, কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রভাষক ডঃ হুসেইন মোহাম্মদ জাকির এবং ওয়াহিদুজ্জামান সহ অন্যান্য শিক্ষকমন্ডলী।

আলোচনা সভায় কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রভাষক ড. হুসেইন মোহাম্মদ জাকির বলেন, “বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের আজকের দিনেই মূলত স্বাধীনতার প্রকৃত ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিনি তার ১৯ মিনিটের বক্তব্যের মাধ্যমে মুক্তিকামী বাঙালি জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছিলেন।“

আইন বিভাগের প্রভাষক মোঃ ইমামুনুর রহমান বলেন, “১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, তোমাদের যার যা আছে, তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবেলা করতে হবে। তিনি এই কথার মাধ্যমের সুদূরপ্রসারী সংগ্রামের কথা বলেছিলেন। বাহুতে শক্তি আছে এমন যুবকদের অস্ত্র হাতে পাক-হানাদার বাহিনীর মোকাবিলা করার আহবান জানিয়েছিলেন, যাদের কণ্ঠে শক্তি আছে, তাদের কণ্ঠ নিয়ে গান গেয়ে মুক্তির আন্দোলনে শামিল হতে বলেছিলেন, যাদের কলমে জোর আছে, তাদের কলম নিয়ে মুক্তির সংগ্রামে ঝাপিয়ে পড়তে বলেছিলেন।“

এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “আমাদের যার যে শক্তি আছে, তা দিয়ে রাষ্ট্র উন্নয়নের কাজে অবদান রাখতে হবে।“

আইন বিভাগের আরেক শিক্ষক মোঃ সাইফুজ জামান ৭ মার্চ ভাষণের তাৎপর্য উল্লেখ উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “আমাদের তরুণ প্রজন্মকে ইতিহাস অধ্যয়ন করতে হবে, বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশকে অধ্যয়ন করতে হবে।“

তিনি আরো বলেন, “বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণকে ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ডস ডকুমেন্টারি হেরিটেজ-এর অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।“